Friday, October 16, 2026
spot_img
Home Blog Page 5

ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠানকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে: হাইকোর্ট

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কল্যাণকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

কর আদায়ের দাবির বিরুদ্ধে গ্রামীণ কল্যাণের করা রিটের ওপর জারি করা রুল খারিজ করে আদালত এ নির্দেশ দেন। রায়ে তিন অর্থবছরের জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে মোট ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে বলা হয়েছে।

এভাবে মূল তথ্যগুলো অক্ষুণ্ন রেখে পুনরাবৃত্তি অনেকটাই কমানো হয়েছে।

আরো পড়ুন > সরকার অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে ডিজিটাল নিবন্ধন, কিউআর কোড ও ট্র্যাকিংয়ের উদ্যোগ নিচ্ছে

বিশ্বে রেকর্ড উষ্ণতম মাস আগস্ট

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থা বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী এযাবৎকালের উষ্ণতম মাস গত আগস্ট। এ সময়ে সমুদ্রের তাপমাত্রাও নজিরবিহীন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
পশ্চিম ইউরোপে মাসটি ছিল এযাবৎকালের উষ্ণতম গ্রীষ্ম।
প্যারিস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের মূল্যায়নের পর জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, মানবজাতি জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার থেকে সরে না আসা পর্যন্ত পৃথিবী আরও গভীরভাবে অজানা পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাবে।
কোপার্নিকাসের পর্যবেক্ষণের তথ্য ১৯৪০ সাল পর্যন্ত রয়েছে। তবে, বরফের স্তর, গাছের বলয় ও প্রবালের কঙ্কালের মতো অন্যান্য প্রমাণ বিজ্ঞানীদের বর্তমান জলবায়ুকে আরো দীর্ঘ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে তুলনা করার সুযোগ দেয়।
কোপার্নিকাসের তত্ত্বাবধানকারী ইউরোপীয় সেন্টার ফর মিডিয়াম-রেঞ্জ ওয়েদার ফরকাস্টসের সামান্থা বার্গেস এএফপি-কে বলেন, মানুষ আজকের মতো এতো উষ্ণ তাপমাত্রা দেখেনি। যুক্তিসঙ্গতভাবে বলা যায়, অন্তত গত ১ লাখ বছরে এমনটা ঘটেনি।
কোপার্নিকাস জানিয়েছে, আগস্টে বৈশ্বিক গড় বায়ুর তাপমাত্রা ছিল ১৬.৯৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর মধ্য দিয়ে ২০২৩ সালের জুলাইয়ে রেকর্ড হওয়া আগের সর্বকালের মাসিক রেকর্ড ০.০১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে। তবে, ব্যবধান খুবই সামান্য হওয়ায় কোপার্নিকাস দুই মাসকেই যৌথভাবে সর্বোচ্চ উষ্ণ বলে বিবেচনা করেছে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানব কর্মকাণ্ড বিশেষ করে কয়লা, তেল ও গ্যাস পোড়ানোর কারণে প্রাক-শিল্প যুগের তুলনায় পৃথিবীর তাপমাত্রা প্রায় ১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে।
একই সঙ্গে চরম আবহাওয়ার তীব্রতা ও সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
তবে তাপ আটকে রাখা গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ ২০২৫ সালে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

লন্ডনে সাইফুজ্জামান চৌধুরীকে দেউলিয়া ঘোষণার আবেদন

অনলাইন ডেস্কঃ

যুক্তরাজ্যের জাতীয় অপরাধ সংস্থার জব্দ করা ১৮ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডের সম্পত্তির পর এবার লন্ডনের হাইকোর্টে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীকে দেউলিয়া ঘোষণার আবেদন করা হয়েছে।

 গত সপ্তাহের শেষভাগে আদালতে দাখিল করা নথির বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত সাইফুজ্জামান চৌধুরীকে দেউলিয়া ঘোষণার আবেদন করেছে ঢাকাভিত্তিক ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান সাউথ বাংলা অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক পিএলসি।

এর আগে গত বছর সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তার পরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৩৪২টি সম্পত্তি জব্দ করে যুক্তরাজ্যের জাতীয় অপরাধ সংস্থা।

আবাসন খাতে স্বল্পমেয়াদি ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত এবং বর্তমানে বিলুপ্ত ‘এমএফএস’ সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ১৭৫টির বেশি আবাসন চুক্তির বিপরীতে ঋণের ব্যবস্থা করে দিয়েছিল। জাতীয় অপরাধ সংস্থার তদন্তের মধ্যেই এসব সম্পত্তির মূল তদারককারী প্রতিষ্ঠান ‘জেডটিএস প্রোপার্টিজ লিমিটেড’ বর্তমানে আদালতের অধীনে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় রয়েছে।

এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা হলেও সাউথ বাংলা অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেয়নি। সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ব্যবহৃত আগের একটি ফোন নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে ২০২৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত টানা পাঁচ বছর ভূমিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন সাইফুজ্জামান চৌধুরী। এর আগে তিনি ভূমি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বেও ছিলেন।

টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর তীব্র গণআন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের আগস্টে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। তার ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধেও বর্তমানে দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগে তদন্ত চলছে।

সূত্র: ব্লুমবার্গ

আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন

আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্য বর্তমানে দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় আসনটি শূন্য হয়। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর (রোববার) এই উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন এবং মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে ২৯ সেপ্টেম্বর।
তিনি আরও বলেন, মনোনয়ন বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কেউ আপিল করতে চাইলে ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত পাঁচ দিন সময় পাবেন। আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ৬ অক্টোবর। ৭ অক্টোবর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং ৮ অক্টোবর প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর আগামী ২৯ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
ভোটার ও কেন্দ্রের পরিসংখ্যান তুলে ধরে ইসি সচিব বলেন, ‘গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৫ লাখ ৭ হাজার ২০৩ জন। তবে গত ১ নভেম্বর ২০২৫ থেকে ৩১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত সময়ে ৮ হাজার ৩২২ জন নতুন ভোটার যুক্ত হওয়ায় বর্তমান ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ১৫ হাজার ৫২৫ জনে।’
তিনি বলেন, পূর্বের নির্বাচনের মতো এবারও ১৮৫টি ভোটকেন্দ্র এবং ৯৮৯টি ভোটকক্ষ অপরিবর্তিত থাকছে। ভোটগ্রহণের সার্বিক দায়িত্বে থাকবেন ১৮৫ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৯৮৯ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ১ হাজার ৯৭৮ জন পোলিং অফিসারসহ মোট ৩ হাজার ১৫২ জন কর্মকর্তা।
এবারের উপনির্বাচনে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া এবং ভূল্লি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা- এই তিনজন সহকারী রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানান তিনি।
পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণের বিষয়ে আখতার আহমেদ বলেন, গত নির্বাচনে এই আসনে ৩৩টি দেশ থেকে ৩৮৬ জন প্রবাসী পোস্টাল ব্যালটের (আউট অব কান্ট্রি) মাধ্যমে নিবন্ধিত হয়েছিলেন। এবার আমরা প্রবাসীদের জন্য সর্বোচ্চ ৫০০ জনকে টার্গেট করেছি। এছাড়া দেশে অবস্থানরত (ইন-কান্ট্রি) সরকারি চাকরিজীবী, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, কারাবন্দি ও আনসার সদস্যদের জন্য গতবার ৪ হাজার ৪৫ জন নিবন্ধিত ছিলেন। এবার সেখানে ৫ হাজার পোস্টাল ব্যালটের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। তবে আগের নিবন্ধিত প্রবাসীরা দেশে ফিরেছেন কি-না, সে বিষয়ে যোগাযোগ করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে নতুন করে কেউ নিবন্ধন করতে চাইলে, সেই সুযোগও থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ সময় গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, ওই নির্বাচনে মোট ৭৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ ভোট পড়েছিল। এর মধ্যে বাতিল হওয়া ১ দশমিক ৯৩ শতাংশ ভোট বাদে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) বিজয়ী প্রার্থী (বর্তমান রাষ্ট্রপতি) ৬১ দশমিক ০৩ শতাংশ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ৩৬ দশমিক ০৩ শতাংশ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ১ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন।

প্রতিপক্ষের জালে গুনে গুনে ৬ গোল দিয়ে অপরাজিত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

বাংলাদেশের দাপট অব্যাহত। জুনিয়র এশিয়া কাপ হকির চ্যালেঞ্জার পুলে আজও দুর্দান্ত খেলেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ নারী দল। আজ বুধবার গ্রুপের শেষ ম্যাচে হংকংকে রীতিমতো নাচিয়েই ছেড়েছেন বাংলাদেশের মেয়েরা। প্রতিপক্ষের জালে গুনে গুনে ৬ গোল দিয়েছে বাংলাদেশ।

চায়নিজ তাইপে, পাকিস্তান ও কাজাখস্তানকে হারিয়ে আগেই কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। ছন্দে থাকা বাংলাদেশের সামনে আজ পাত্তাই পায়নি হংকং। চীনের ইনার মঙ্গোলিয়ার মোকি ট্রেনিং গ্রাউন্ডে হংকংকে ৬-০ গোলে হারিয়ে চার ম্যাচে পূর্ণ ১২ পয়েন্ট পেয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ নারী হকি দল।

হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচের প্রথম গোলটি আসে অধিনায়ক শারিকা রিমনের স্টিকে। আইরিন রিয়া ও মোসাম্মত রিমা দুজনই করেছেন জোড়া গোল। একটি করে গোল করেন অধিনায়ক শারিকা রিমন ও কনা আক্তার। চীনের ইনার মঙ্গোলিয়ার মোকি ট্রেনিং গ্রাউন্ডে পেনাল্টি কর্নারে আসে এক গোল। বাকি পাঁচ গোল বাংলাদেশ করেছে ফিল্ড গোল থেকে।চারে চার করা বাংলাদেশ আগামীকালই খেলতে নামছে কোয়ার্টার ফাইনালে। শেষ আটে বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপান। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ চার ম্যাচ খেলে ২২ গোল করেছে। টুর্নামেন্টে একমাত্র গোল তারা হজম করেছে পাকিস্তানের বিপক্ষে।

শেষ দেখে ছাড়ব’, আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা বাঁধনের

ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ও তার পরিবারের ওপর হামলা করেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এই ঘটনার পর ইতালির পুলিশের সহায়তায় নিরাপদ স্থানে পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছেন বাঁধন।এবার ওই হামলার ঘটনায় আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় বাঁধন বলেন, ‘আমার সঙ্গে গতকাল যে ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে, বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বলে পরিচয় দেওয়া যারা, তারা সেটি করেছেন।সেই জায়গা থেকে প্রচুর মানুষ আমাকে ফোন করছেন, আমার খবর নেওয়ার চেষ্টা করছেন- আমি কেমন আছি, কোথায় আছি, কীভাবে আছি। আমি ঠিক আছি কি না।আমি শুধু আপনাদের সবাইকে এটা বলতে চাই, আলহামদুলিল্লাহ, আমি ঠিক আছি।’

নিজের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি আমার মাথা কখনো নত করিনি এবং সেটা করতে ভুলেও যাইনি।আমাকে ভেঙে ফেলা এত সহজ না। এখানকার পুলিশ অনেক হেল্প করেছে। গতকাল রাতে আমাকে একটি নিরাপদ জায়গায় তারা পৌঁছে দিয়েছে।’

এরপর বাংলাদেশ দূতাবাস থেকেও সহযোগিতা পাওয়ার কথা জানান এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আজকে আমাদের যে অ্যাম্বাসি আছে, বাংলাদেশ অ্যাম্বাসি থেকে অ্যাম্বাসেডর সাহেব, যিনি আছেন, উনি আমাকে ফোন করেছেন এবং উনার অফিস থেকে লোক আসছে। উনাদের সঙ্গে আমি থানায় যাচ্ছি কেস ফাইল করতে।’

হামলার ঘটনায় তাদের কাছে প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেন বাঁধন। তার কথায়, ‘যেহেতু আমাদের কাছে সমস্ত এভিডেন্স আছে এবং আমরা অলরেডি অনেকজনকে আইডেন্টিফাই করেছি।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানান বাঁধন। পাশাপাশি বিপদের সময় তার পাশে দাঁড়ানো দেশ-বিদেশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

বাঁধন বলেন, ‘আমি মনে করি যে আমি একজন গর্বিত বাংলাদেশী। কারণ আমার দেশের মানুষ আমার বিপদে আমার পাশে দাঁড়িয়েছে। সেটার জন্য অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা এবং ভালোবাসা।’

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে নিজের অবস্থানের কথাও তুলে ধরেন এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশের জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। যেটা আমি মনে করি, আমার জীবনে নেওয়া কিছু সঠিক সিদ্ধান্তের মধ্যে একটি। এবং আমি একজন গর্বিত জুলাই যোদ্ধা।’

বাঁধন বলেন, ‘শুধুমাত্র আমি, আমার ভাই এবং তার পরিবার, তার ছোট বাচ্চা- তার যেভাবে হ্যারাসড হয়েছে, সেটার জন্য মারাত্মকভাবে আপসেট। আমার জন্য আমার ছোট ভাই, তার ওয়াইফ এবং তার তিন বছরের বাচ্চা যেভাবে অ্যাসল্টেড হয়েছে, সেটা ন্যক্কারজনক।’

সবশেষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বাঁধন বলেন, ‘আমি কেস ফাইল না করে ভেনিস থেকে বাংলাদেশে আসছি না। এটার শেষ আমি দেখে ছাড়ব।’

৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রদর্শনীতে অংশ নিতেই ইতালিতে গেছেন বাঁধন। বর্তমানে মেস্ত্রে শহরে অবস্থান করছেন। সোমবার রাতে ভাই ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয় একটি পার্কে গেলে সেখানে তাকে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন অভিনেত্রী।

রুহুল কবির রিজভীকে রাজশাহী মহানগর বিএনপির ফুলেল শুভেচ্ছা

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মনোনীত হওয়ায় দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাবেক ভিপি রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাজশাহী মহানগর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান রাজশাহী মহানগর বিএনপির নেতারা।রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটনের নেতৃত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সহসভাপতি আসলাম সরকার, ওয়ালিউল হক রানা, অ্যাডভোকেট আলী আশরাফ মাসুম, শফিকুল ইসলাম শাফিক, মুক্তার হোসেন ও জয়নাল আবেদীন শিবলী, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মিলু, সদস্য অ্যাডভোকেট মাইনুল আহসান পান্নাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

এ ছাড়া বোয়ালিয়া থানা পূর্ব বিএনপির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম নিপু, সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন, বোয়ালিয়া থানা পশ্চিম বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বজলুজ্জামান মোহন, কাশিয়াডাঙ্গা থানা বিএনপির সভাপতি মাইনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মজিউল আহসান হিমেল, মতিহার থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আল মামুন বাবু, শাহমখদুম থানা বিএনপির আহ্বায়ক সুমন সরদার, সদস্যসচিব নাসিম খান, চন্দ্রিমা থানা বিএনপির আহ্বায়ক ফাইজুল হক ফাহি, সদস্যসচিব মনিরুল ইসলাম জনি, রাজপাড়া থানা বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান ও সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।এ সময় মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর তারেক ও সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান জনি, মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাকিন রায়হান রবিন ও সদস্যসচিব এমদাদুল হক লিমন, মহানগর জাসাসের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট রজব আলী ও সদস্যসচিব সেলিম রেজা, কৃষক দলের সভাপতি সরফুজ্জামান শামীম, শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম পাখি ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নেতারা বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংগঠনিক দক্ষতা, ত্যাগ ও আপসহীন নেতৃত্বের মাধ্যমে রুহুল কবির রিজভী আহমেদ দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন।তাকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়ায় দল আরও সুসংগঠিত, গতিশীল ও শক্তিশালী হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

বিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দাম

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে বেড়েই চলেছে অপরিশোধিত তেলের দাম। ফলে টানা চতুর্থ কার্যদিবসের মতো দাম বেড়ে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেলে ১.৫৭ ডলার বা ১.৬ শতাংশ বেড়ে ৯৯.৪৯ ডলারে পৌঁছেছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাত পর্যন্ত এ তথ্য পাওয়া গেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ১ দশমিক ৬০ ডলার বা ১ দশমিক ৭২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪ দশমিক ৬৩ ডলারে।

 ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতই তেলের দাম বাড়ার মূল কারণ। সম্প্রতি সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামোসহ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে ইরান।এতে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে শঙ্কা বেড়ে গেছে। 

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের আশঙ্কা এবং জ্বালানি সরবরাহে আরও বিঘ্ন ঘটার উদ্বেগে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবার বেড়েছে।নিজেদের স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালালে পাল্টা জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান।
এতে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল পরিবহন আরও ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিনে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৪ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৩৫ শতাংশ বেড়ে ৯৭ দশমিক ৩৪ ডলারে ওঠে।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেল ১ দশমিক ১৫ ডলার বা ১ দশমিক ২৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯২ দশমিক ৬৩ ডলারে লেনদেন হয়।

 এর আগের দিন ব্রেন্টের দাম ২৪ জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল।
মধ্যপ্রাচ্যের বাড়তে থাকা ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় বাজারে তেলের দামে নতুন করে ঝুঁকিজনিত অতিরিক্ত মূল্য যোগ হচ্ছে।

সোমবার ইরান সতর্ক করে বলেছে, দেশটির স্থাপনায় আবার হামলা হলে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের তেল ও গ্যাসসংশ্লিষ্ট স্থাপনাও হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে।

এর আগে শনিবার মার্কিন বাহিনী তিনটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালায়, যার একটি ছিল ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের কাছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, এর আগে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি অঞ্চলে থাকা দুটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল।

২০২৬-২৭ অর্থবছর: শুরুতেই বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ২০৯ কোটি ডলার

বাণিজ্য ঘাটতি বাড়লেও প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) ওপর ভর করে চলতি হিসাবের ভারসাম্য ধনাত্মক বা উদ্বৃত্ত রাখতে পেরেছে বাংলাদেশ। জুলাইয়ে দেশে প্রায় ২৮৬ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ১৫.৫০ শতাংশ বেশি। রেমিট্যান্সের এই শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির ফলে জুলাই শেষে চলতি হিসাবে ৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার উদ্বৃত্ত রয়েছে। যদিও আগের অর্থবছরের একই সময়ে চলতি হিসাবের উদ্বৃত্ত ছিল সাড়ে ১২ কোটি ডলার।

প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, অর্থবছরের প্রথম মাসে মোট আর্থিক হিসাবের (ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট) ঘাটতি কিছুটা কমে ৬৮ কোটি ডলারে নেমেছে, যা আগের বছর ছিল ৮৮ কোটি ডলার। তবে বৈদেশিক সহায়তা ও বিনিয়োগের চিত্রে মন্দাভাব দেখা গেছে। জুলাইয়ে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) এসেছে ১১ কোটি ডলার, যা আগের বছরের চেয়ে ১ কোটি ডলার কম। পাশাপাশি বিদেশি ঋণ ও অনুদান প্রবাহও কমেছে।

বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধি ও বৈচিত্র্যময় মূলধন প্রবাহ হ্রাসের কারণে সামগ্রিক লেনদেন ভারসাম্যে (ওভারঅল ব্যালেন্স) ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৬৩ কোটি ডলার। আগের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই মাসে সামগ্রিক লেনদেনের এই ঘাটতি ছিল ৫৪ কোটি ডলার।

ব্রাজিল আর কি কখনো বিশ্বকাপ জিতবে?

অভিলাষ নিউজ ডেস্ক :
পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের নাম শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে পেলের জাদুকরী পা, হলুদ জার্সির ঐতিহ্য আর সাম্বা নৃত্যের ছন্দ। অথচ সেই গৌরবের সিংহাসন আজ চরম সংকটে। কার্লো আনচেলত্তির দল যখন এক অন্ধকার সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন সেলেসাওদের এমন করুণ দশা নিয়ে বোমা ফাটিয়েছেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি মিডফিল্ডার পাউলো সিলাস।

শেষ বিশ্বকাপে শেষ ষোলো থেকে দলের বিদায় এবং সামগ্রিক অধঃপতন নিয়ে ইএসপিএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সোজাসাপ্টা মন্তব্য করে ১৯৮৯ সালের কোপা আমেরিকা জয়ী এই তারকা বলেন, ‘আমি মনে করি, আমাদের পক্ষে আবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়া খুবই কঠিন হবে।’ 

১৯৮৬ ও ১৯৯০ বিশ্বকাপের অংশ নেওয়া এই সাবেক তারকা এখানেই থেমে থাকেননি। ব্রাজিলের ফুটবল কাঠামো এবং আধুনিক প্রজন্মের মানসিকতা নিয়ে খোলাখুলি কথা বলতে গিয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মোহ এবং ক্লাবের ভুল নীতিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। সেলেসাওদের এই সংকট নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ব্রাজিল অনেক দিন ধরে কোনো প্রকৃত নম্বর ১০ বা নম্বর ৯ পজিশনের খেলোয়াড় পাচ্ছে না; সবাই এখন ডান উইংয়ে খেলতে চায়। আমাদের ভালো কোনো ফুল-ব্যাক নেই, কারণ কেউ এখন আর ফুল-ব্যাক হতে চায় না; কারণ সোশ্যাল মিডিয়ায় ফোন হাতে পোজ দিলে তো আর লাইক পাওয়া যায় না!’ 

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার বর্তমান ফর্ম এবং নিজেদের দুর্দশার তুলনা টেনে সিলাস জানান, ‘আর্জেন্টিনা আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছে। এমনকি কোনো বড় ট্রফি না জিতেও পর্তুগাল আমাদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। আমাদের ফুটবলের শিকড়েই বড় ধরনের সমস্যা রয়েছে।’
এছাড়া ক্লাব ফুটবলের ব্যর্থতার উদাহরণ টেনে তিনি জানান, গ্রেমিওর মতো বড় ক্লাবগুলো জাতীয় দলে খেলে না এমন ১৩ জন বিদেশি খেলোয়াড়কে দলে ভিড়িয়ে স্থানীয় তরুণদের বিকাশ আটকে দিচ্ছে, যা জাতীয় দলের ভবিষ্যৎকে আরও অন্ধকার করে তুলছে।

দলের বর্তমান প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তির প্রতি সমর্থন জানিয়ে সিলাস বলেন, ‘আমি আনচেলত্তিকে পছন্দ করি, এসি মিলানে একসঙ্গে খেলার সুবাদে আমি তাকে চিনি। সমস্যা কোচকে নিয়ে নয়, সমস্যা আমাদের তৃণমূল পর্যায়ে। কারণ আজকের দিনের বাচ্চারা জানেই না তাদের আসল আদর্শ কে।’ এমনকি ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে ‘সুপারস্টার’ না বলে ‘উৎকৃষ্ট খেলোয়াড়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তিনি। সিবিএফ-এর প্রশাসনিক অস্থিতিশীলতার প্রসঙ্গ টেনে সিলাস আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমাদের দেশে গত চার বছরে চারজন সভাপতি পরিবর্তন হয়েছে। এমন বিশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে কীভাবে একটি দল সঠিক পথে এগিয়ে যেতে পারে?’  ব্রাজিল ফুটবলের এই ব্যবচ্ছেদ কেবল একটি দলের হার-জিতের গল্প নয়; এটি একসময়ের অপ্রতিরোধ্য এক ফুটবল সংস্কৃতির শেকড়ে উইপোকার মতো বাসা বাঁধা সংকটের প্রতিচ্ছবি।  মাঠের ছন্দ হারিয়ে সাম্বা নৃত্যের এই দেশ হয়তো সত্যিই কেবল স্মৃতির পাতাতেই খুঁজে ফিরবে তাদের সুদূর অতীতের সেই গৌরবময় দিনগুলোকে।